বন্ধুর স্ত্রীকে বিয়ে করতে বন্ধুকেই খুন

গুলকেশ আর দলবীর খুব ভাল দু’জন বন্ধু তারা। বন্ধুত্ব চলার মাঝেই একটু একটু করে ভাল লেগে যায় দলবীরের স্ত্রীকে। কিন্তু এভাবে আর কতদিন চেপে রাখা যায় মনের সেই কথা। অবশেষে বন্ধুর বউকে খুবই পছন্দ করা বিষয়টা বলেই ফেলল। তবে ওই মহিলাও তার কথা ফেলে দেয়নি, শর্ত একটাই আর যাই হোক তোমাকে বিয়ে করতে পারবোনা। কিন্তু বিয়ে করতে নারাজ হওয়ায় সেই বন্ধুর স্ত্রীকে পাওয়ার লক্ষ্যপূরণে বন্ধুকেই খুন করে ফেলল যুবক।

মঙ্গলবার (২৫ ‍জুন) সেই খুনী বন্ধু গুলকেশকে গ্রেফতার করে স্থানীয় পুলিশ। তবে সোমবার রাতে ওই ঘটনাটি জাতীয় দিল্লির রামা রোডের প্রেম নগর পাঠক এলাকার ঘটেছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গুলকেশ এবং মৃত দলবীর খুব ভালো বন্ধু ছিল। ৩০ বছরের দলবীরের স্ত্রীকে খুব ভালো লেগে যায় গুলকেশের। নিজের মনের কথা প্রিয় পাত্রীকে জানাতে দেরি করেনি গুলকেশ। দলবীরের স্ত্রীরও যে গুলকেশকে অপছন্দ ছিল এমন নয়। কিন্তু সংসার ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছে তার ছিল না। সেই কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

এরপরেই লক্ষ্যপূরণ করতে নতুন ছক কষে গুলকেশ। বন্ধু দলবীরকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে পারলেই তার স্ত্রীকে পাওয়া যাবে। এই ভাবনা থেকেই বন্ধুকে খুনের পরিকল্পনা করে সে। গত সোমবার গভীর রাতে ফোন করে দলবীরকে ডেকে নিয়ে যায় গুলকেশ। রামা রোডের প্রেম নগর পাঠক এলাকায় বন্ধুর মাথায় ইঁট দিয়ে আঘাত করে খুন করে সে। এরপরে রেল লাইনের উপরে ফেলে রেখে আসে সে।

এদিকে ট্রেন চলাচলের কারণে মৃত দেহ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাবে। তাহলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বোঝা যাবে না। যার ফলে গুলকেশের প্রতি সন্দেহ জাগবে না। এই ভাবনা থেকে নিজেই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পুলিশকে ফোন করে সে জানায় যে রামা রোডের প্রেম নগর পাঠক এলাকায় একটি মৃত দেহ পরে রয়েছে। পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখেনি সে।

কিন্তু মৃত দলবীরের মোবাইল যাবতীয় রহস্যের আসল ঘটনার তথ্য চলে আসে। তদন্তের স্বার্থে মোবাইলের কল রেকর্ডস সামনে আসতেই সন্দেহের তালিকায় উঠে আসে গুলকেশের নাম। এবং ক্রমশ তা গুরুত্ব পেতে সুরু করে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই স্পষত হতে থাকে সমস্ত বিষয়। জেরার

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536