মদনা হরিপুরে ৩ তরুণী কী ধর্ষিত হয়েছে?

মদনা হরিপুরে ৩ তরুণী কী ধর্ষিত হয়েছে?

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড মদনা হরিপুর গ্রামে মাদ্রাসা পড়ুয়া
৩ কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগ তুলেছে ওই কিশোরীদের পরিবার। এই ঘটনার ভুক্তভোগী তরুণীরা বলছে তাদের সাথে এই ধরনের কিছ্ইু হয়নি। ১২ অক্টোবর সোমবার রাতে মদনা গ্রামের বরকন্দাজ বাড়িতে বাদল বরকন্দাজের কন্যা হিরামনি (১২) ও শাহিদা আক্তার (১৫) কে বাড়ীতে রেখে তার মা ও বাবা ব্যবসায়িক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছিল। ঘটনার দিন বাদল বরকন্দাজের ঘরে সিরাজুল বরকন্দাজের কিশোরী কন্যা জিবু আক্তার (১৪) অবস্থান করে। এই ৩ কিশোরী দক্ষিন মদনা দাখিল মাদরাসার অধ্যয়নরত। পাশ্বর্বর্তী মীর বাড়ির বাচ্চু মীরের ছেলে মিলন মীর (২৩) সন্ধ্যার পর বাদল বরকন্দাজের ঘরে এসে মুড়ি, চানাচুর বানানো খাওয়ানোর জন্য পেয়াজ সংগ্রহ করতে যায়। এ সময় শাহিদা আক্তার মিলনকে জানায় আমাদের ঘরে মুরব্বি না থাকার কারণে পেয়াজ নেই। পরবর্তীতে জিবু আক্তারের কথামতো পেয়াজ দিয়ে এই ৪ জন মুড়ি ও কোমল পানীয় সেবন করে। মিলন এই বাড়ি থেকে চলে গেলে রাতে এই তিন তরুণী অচেতন অবস্থায় ঘরের মধ্যে পড়ে থাকে। এর মধ্যে বাদল বরকন্দাজের ঘরের পেছনে চোরের দল মাটি খুড়ে হিং কেটে ভিতরে প্রবেশ করে। পরদিন সকালে এই তিন কিশোরী ঘুম থেকে না উঠলে বাড়ির লোকজন দরজা ভেঙ্গে তাদেরকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে দ্রুত তাদেরকে উদ্ধার করে চাঁদপুর ২৫০ শয্যার সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। বিষয়টি প্রথমে নেশা জাতীয় খাদ্য হিসেবে হাসপাতালের রেজিষ্ট্রি খাতায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে একটি স্বার্থবাদী মহল কুৎসা রচনা করে তিন কিশোরীকে ধর্ষন করা হয়েছে। এই ব্যাপারে হিরামনি ও শাহিদার অভিভাবক হিসেবে তাদের মায়ের সাথে কথা বললে সে জানায় মিলন তাদের দুঃসম্পর্কে ভাসুর ছেলে। সে এ কিশোরীদেরকে বোনের দৃষ্টিতে দেখত। কিন্তু এ ধরনের ঘটনা সে ঘটাতে পারে তা তাদের বোধগম্য নয়। অসুস্থ ৩ কিশোরীর সাথে আলাপ করলে তারা জানায়, মুড়ি বানানো ও কোল্ড ড্রিংকস খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়ে এবং মিলন ভাই বাড়ি থেকে চলে যায়। তবে আমাদের সাথে তার কোন খারাপ আচরণ হয়নি। এদিকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালের গাইনী চিকিৎসক ডাঃ রওশন আরা রুমু জানান, দু’জনের মধ্যে আমাদের ডাক্তারি ভাষায় একাধিকবার মেলামেশার নমুনা পরিলক্ষিত হয়েছে। এক কিশোরীর এ ধরনের কোন কিছুর লক্ষন পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, হয়তোবা যে দু’জনের মধ্যে একাধিকবার মেলামেশার লক্ষন দেখা দিয়েছে হয়তোবা এগুলো পূর্বের হতে পারে। যা বর্তমানে বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় একজনের উপরই দোষ ছাপানো হতে পারে। প্রকৃত বিষয়টি মেডিকেল পরিক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যেতে পারে। এদিকে মিলনের পিতা বাচ্চু মীর জানান, তার ছেলে গত কিছুদিন পূর্বে ৫০ হাজার টাকা তার কাছে দাবি করেছে। ওই টাকা না দেওয়ায় সে তার বাবাকে কয়েকদিন পূর্বে হুমকী দেয় এলাকায় এমন কিছু করব তখন টাকা কোথা থেকে আসে তা দেখব। এই বিষয়টি বাচ্চু মীর স্থানীয় ইউপি সদস্যদেরকে অবগত করেছেন। সেই সূত্র ধরেই এই তিন কিশোরীর বিষয়টি মিলনের উপর চাপানো হচ্ছে বলে তার পিতা দাবি করেন। এদিকে ভুক্তভোগী ওই তিন কিশোরী বলছে তাদের সাথে কোন খারাপ ধরনের কিছুই হয়নি। এ ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত চাঁদপুর মডেল থানায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে থানা সূত্রে জানা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চাঁদপুরে মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত জেলার সকল উপজেলায় তাদের অভিযান চলছে। ১৮ অক্টোবর রবিবার দুপুর ২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত জেলা মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ,কে,এম দিদারুল আলমের নেতৃত্বে হাজিগঞ্জ উপজেলার টোরাগড় গ্রামে অভিযান চালানো হয়।এসময় কাজিবাড়িতে অভিযান চালিয়ে মানিক কাজীর ঘর থেকে তার স্ত্রী পারুল বেগম(৫৫) কে তাদের নিজ দখলীয় বসতঘর তল্লাশী করে ১২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক এ কেএম দিদারুল আলম বাদী হয়ে হাজিগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

ইয়াবা সহ নারী গ্রেফতার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536